Home

লক্ষ্মীপুর চর কাদিরা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনারশীর্ষে সফিক উল্যাহ (বাংলা নেতা)

কমলনগর প্রতিনিধি ঃ আগামী ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে শুরু হয়ে গেছে প্রার্থীদের প্রচারণা। এলাকায় এলাকায় হেঁটে মানুষের সুখ দুঃখের খবর নিচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা । তেমনি একজন চর কাদিরা ইউনিয়নের কৃতি সন্তান গরিব দুঃখি মেহনতি মানুষের পছন্দের প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা । আসছে নির্বাচনে তিনি ৮ নং চর কাদিরা ইউনিয়নের একজন সম্ভাব্যচেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন । যিনি দেশেরে জন্য জীবন বাজি রেখে শত্রæর মোকাবেলা করেন, অবশেষে বাংলার মানুষকে উপহার দেন একটি লাল টকটেক সূর্য আর সবুজ ভূখন্ড । সব মিলিয়ে লাল সবুজের পতাকা চিনিয়ে এনে দেশের মানুষকে উপহার দেন। তিনি হলেন চরকাদিরাবাসীর প্রিয় নেতা মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সফিক উল্যাহ (বাংলা নেতা)। জানাযায় আগামী নির্বাচনে চর কাদিরা ইউনিয়নের নির্বাচনে আলোচনারশীর্ষে রয়েছেন এই আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তি যোদ্ধা সফিক উল্যাহ বাংলা নেতা। নাম, মোঃ সফিক উল্যাহ , জন্ম ১৯৫৫ সালে । পিতার নাম মৃত. রাজা মিয়া । মাতা . মৃত লাল মতি বেগম । কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের ,চরঠিকা গ্রামের, ০২ নং ওয়ার্ডের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। তিনি একাধারে একজন সমাজ সেবক, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা¡। ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামীরাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন । ছোটবেলা থেকে মুজিবে আদর্শকে বুকে ধারন করে দীর্ঘ সময় আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত আছেন এই প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা। স্কুল জীবন থেকে তার রাজনীতির পথচলা । ১৯৬৫ সালে নিজ গ্রামের স্কুল চর কাদিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাইমারি জীবন শেষ করেন । এরপর মাধ্যমিকে ভর্তি হন হাজির হাট মিল্লাত একাডেমীতে । সেখান থেকে ১৯৭১ সালে এসএসসি পাশ করেন । ঠিক সেই সময়ে পশ্চিম পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের মানুষের উপর নানান ভাবে জুলুম, অত্যাচার ,নিপীড়ন শুরু করে। দেশমাতৃকাকে রক্ষায় দেশের তরে যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন । অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর স্বাধীনতা লাভের মধ্য দিয়ে দেশ শত্রæ মুক্ত হল । মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখার কারনে এবং গঠনমূলক বক্তব্য প্রদান করায় তাকে বাংলানেতা হিসেবে উপাধিও দেয়া হয়। কি আছে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদেও রাজনৈতিক অবদান । একসময় ছাত্রলীগ করতেন । উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন । ছাত্রলীগের পরপর যুবলীগের দায়িত্বেও ছিলেন এই নেতা । উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবীর্ততে জেলা কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন । দীর্ঘ পনের বছর বৃহত্তর রামগতি উপজেলার কৃষকলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন । এরপর ধারাববাহিকভাবে তাকে সদস্য করা হয় রামগতি উপজেলা আওয়ামীলীগের । তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত¦ পালন কালে কখনো অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি এই নেতা। তার পুরো পরিবারটি একটি আওয়ামী পরিবার । মুজিবের আদর্শেও সৈনিক বানিয়েছেন তিন ছেলেকে। বড়ছেলে মিজানুর রহমান সোহেল বাঙ্গালী বর্তমান ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন । মেঝ ছেলে আলতাফ হোসেন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবং ছোট ছেলে আমিনুল বর্তমান ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। আওয়ামীলীগ নেতা সফিক উল্যাহর স্ত্রী ইউনিয়ন পরিষদের ২ বারের সফল সাবেক সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের দায়িত্বেও রয়েছেন । ফজু মিয়ার হাট স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, প্রায় দুই যুগ ধরে ফজু মিয়ার হাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। ফজুমিয়ার হাট বাজার কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানেও ফজু মিয়ার হাট বাজার কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন । দল করতে গিয়ে বিভিন্ন রকম নির্যাতন ও মিথ্যে মামলার শীকার হতে হয়েছে এই নেতাকে। চর কাদিরা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান খালেদ সাইফুল্যাহর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে শারিরিকভাবে নির্যাতনের শীকার হন এই নেতা । ১৯৮০ সালে বিএনপির লোকজন বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায় এবং তাকে জড়ানো হয় মিথ্যে মামলায়। ৩ মাস ১৫ দিন মিথ্যে মামলার শীকার হয়ে জেল খাটতে হয় বাংলা নেতা সফিক উল্যাহকে। তারপর তৎকালীন বিএনপির আমলে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল এবং ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০ টির অধিক মিথ্যে মামলা দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে এবং মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। তার পরও মুক্তি মেলেনি এই নেতার । ২০১৪ সালে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হুমায়ন কবিরসহবিএনপি জামায়াতের নেতারা। ২০০৩ সালে সফিক উল্যাহ বাংলা নেতার ছেলে সোহেল বাঙ্গালীকে স্থানীয় বিএনপি জামায়াতের নেতারা ইউনিয়ন পরিষদেও সাথে গাছের সাথে বেঁধে শারিরিক নির্যাতন করে । এত নির্যাতন সহ্য করেও বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে মুজিবের আদর্শকে মেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি অত্যান্ত সাহসী , মেধাবী একজন মানুষ । মুজিবের আদর্শের আওয়ামীলীগের একজন লড়াকু সৈনিক। ১৯৭১ সাল থেকে আওয়ামীলীগের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন । আওয়ামীলীগের রাজনীতি যখন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠিক তখন থেকে মুজিবের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন প্রবীণ এই আওয়ামীলীগ নেতা মুজিবের আদর্শের আদর্শিত নেতা সফিক উল্যাহ বাংলা নেতা । দলের জন্য তৎ কালীন বিএনপির আমল এবং ওয়ান ইলেভেন এর সময় অনেক নির্যাতন নিপীড়ন সহ্য করে দলের হাল ধরেছেন এই ত্যাগী নেতা । মুজিবের আদর্শকে লালন করে বাকি সময় ও জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার নেতৃত্বে এই প্রাণের সংগঠনের জন্য কাজ করে যাবেন বলে তিনি জানান আগামী নির্বাচনের বিষয়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সফিক উল্যাহ সাথে সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন,মানুষ মানুষের জন্য , জীবন জীবনের জন্য । চর কাদরিাবাসী ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতি অবিচল আস্থা ও অগাধ বিস্বাস আছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগনের সাথে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে মিলেমিশে বসবাস করছে। বিভিন্ন রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মেঘনার অব্যাহত ভাঙ্গন আর বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রতিনিয়ত লড়াই করে বেঁচে আছে চর কাদিরার মানুষ। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে আমি আমার এলাকার জনগনের জন্য কাজ করে যাবো , আমি তাদের পাশে ছিলাম, পাশে আছি এবং পাশে থাকবো ইনশাল্লাহ । দলের জন্য এত ত্যাগ দিয়েছেন দল আপনাকে কতটুকু মূল্যায়ন করেছে ? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন , দল আমাকে মূল্যায়ন করেনাই আমি তা বলবোনা কারন আমি আমাদের জেলা নেতৃবৃন্দকে সম্মান করি আমার প্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আদর্শ এবং তার সঠিক নেতৃত্বকে সম্মান করি তাই কিছু পাই বা না পাই আওয়ামীলীগের জন্য কাজ করে যাবো । কমলনগর উপজেলা এবং চর কাদিরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগকে শক্তিশালী এবং গতিশীল করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবো ইনশাল্লাহ। আমি মুজিবের আদর্শের আমার প্রাণের দল আওয়ামীলীগকে ভালোবেসে নিরলশ কাজ করে যাচ্ছি। কারন আমার বিশ্বাস কোননা কোন সময় দল আমাকে মূল্যায়ন করবেই। আগামী নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দলীয় নিয়মকে শ্রদ্ধা করি আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কমান্ডকে সম্মান করি । আমার বিশ্বাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার যোগ্যতার দিক বিবেচনা করে আমাকে ৮ নং চর কাদিরা ইউনিয়নের নৌকার মাঝি করে পাঠাবে । ইনশাল্লাহ আমকে নৌকা প্রতীক দেয়া হলে আমি এই চর কাদিরা ইউনিয়ন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে একটি বড় ধরণের বিজয় উপহার দেব।

Related Articles

how do you feel about this website ?

Back to top button
%d bloggers like this: